প্রাইমারিতে যারা কোটা পাবে না / বিবাহিতরা কি প্রাইমারির শিক্ষক নিয়োগে কোটা পাবে?

 বিবাহিতরা কি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে কোটা পাবে?

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে যারা কোটা পাবে না।

প্রাইমারির শিক্ষক নিয়োগে নারী কোটা বণ্টণ।


বিস্তারিত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আগের মতো একযোগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে বিভাগভিত্তিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে এবং পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ তারা প্রকাশ করেছে এ বিষয়ে বিস্তারিত আমাদের job helpline bd ইউটিউব চ্যানেলে বিস্তারিত দেওয়া আছে..


কোটার বিষয় নিয়ে ক্লিয়ারঃ

এখন প্রাইমারির কোটায় নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ প্রকাশ হলে অধিদপ্তর থেকে যে তথ্য তুলে ধরে তা প্রকাশ করা হল।

২০১৯ অনুসারে আগের মতো কোটাপদ্ধতি মেনে এবারও সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।


মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ অনুসারে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ বিধিমালায় কোটার বিষয়ে যেভাবে বলা আছে তা অনুসরণ করে প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হবে।


সহকারী শিক্ষক পদে ৬০ শতাংশ নারী কোটা, 

২০ শতাংশ পোষ্য কোটা,

ও ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা। 

এই তিন কোটার প্রতিটি ক্যাটাগরিতে অবশ্যই ২০ শতাংশ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে, তবে এভাবে তিন কোটায় বিজ্ঞান বিষয়ের যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।


নারী, পোষ্য ও পুরুষ কোটা পূরণের ক্ষেত্রে  কোনো বিধি বা সরকারি সিদ্ধান্তে কোনো বিশেষ শ্রেণির কোটা নির্ধারিত থাকলে সেই কোটাসংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হবে।


পোষ্য কোটার ব্যাখ্যাঃ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন বা ছিলেন, এমন শিক্ষকের অবিবাহিত সন্তান, যিনি সেই শিক্ষকের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল সেই শুধু পোষ্যু কোটা পাবেন।

শিক্ষকের বিধবা স্ত্রী পষ্যু কোটা পাবে তবে স্বামী জীবিত থাকলে সে কোটার অন্তর্ভুক্ত নয়।


তালাকপ্রাপ্ত কন্যা,

যার বাবা-মা প্রাইমারির শিক্ষক ছিল তার কন্যা বিয়ের আগে পষ্যু কোটা পাবে।


যিনি সেই শিক্ষকের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল, এমন প্রার্থীরা পোষ্য কোটার সুবিধা পাবেন।


কোটা বণ্টণের এলাকাঃ

 প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে উপজেলা ও থানাভিত্তিক কোটা মানা হবে। উপজেলা বা থানাভিত্তিক শূন্যপদ অনুযায়ী কোনো কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধাক্রম অনুযায়ী একই উপজেলা বা থানার উত্তীর্ণ সাধারণ প্রার্থীদের দিয়ে পদ পূরণ করা হবে।


এই ভাবে নিয়োগের প্রধান কারাণঃ

 ট্রান্সফারের জটিলতা এড়াতে এই ভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে।


সাধারন প্রার্থীদের কোটা ছাড়া চাকরি হওয়া সম্ভবনাঃ

 ৮০ শতাংশ কোটা থাকায় সাধারণ প্রার্থীরা লিখিত পরীক্ষায় বেশি নম্বর পেয়েও চাকরি পান না। অথচ সাধারণদের চেয়ে কোটাধারীরা কম নম্বর পেয়ে চাকরি পেয়ে যান।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

tnx for commet..

গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দেখুন

( সিভিল সার্জনের কার্যালয়) স্বাস্থ্যসহকারী পদের প্রশ্ন সমাধান

             স্বাস্থ্যসহকারী পদের প্রশ্ন সমাধান           ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীর নিয়োগ পরীক্ষা                  পদঃ স্বাস্থ্যসহকারী...

সবচেয়ে চাহিদার পোস্ট গুলো