(ভাইভা প্রস্তুতি ও প্রয়োজনিয় কাগজপত্র) বাংলাদেশ রেলওয়ের ভাইভা সাজেশন ও দরকারী কাগজপত্র কি কি লাগবে?

বাংলাদেশ রেলওয়ের ভাইবা প্রস্তুতি ও প্রয়োজনিয় কোন কোন কাগপত্র লাগবে তার গাইডলাইন ও সাজেশন।


আমরা সবাই অবগত আছি বাংলাদেশ রেলওয়ের বড় একটা নিয়োগ চলছে তো সেই ধারাবাহিকতায় আমরা আজকে বাংলাদেশ রেলওয়ের ভাইভা প্রস্তুতি ও ভাইভা পরীক্ষার সময় কোন কোন কাগজপত্র লাগবে তার সর্ম্পে বিস্তারিত আলোচনা করব।


প্রথমত আপনাদেরে কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া জরুরী।

আপনেরা অনেকেই প্রশ্ন করেন যে কোটা বা টাকা ছাড়া নাকি রেলওয়ের চাকরি হয় না এটাকি সত্য কথা?
বাংলাদেশের পেক্ষাপটে সকল চাকরি পরীক্ষাতেই কিছু গুঁজব শোনা যায় এখানে সবচেয়ে যারা বেশি গুঁজব ছড়ায় তারা বেশির ভাগ চাকরির পড়াশোনার প্রতি উদাসীন বা ২/৪ টা চাকিরির পরীক্ষা দিয়েছে কিন্তু ভাল করতে পারেনি। প্রথমত যারা ভাইবা পর্যন্ত গিয়েছে তারা ৪/৬টা ভাইবার পরে সফল হয়েছে আর যারা না পড়াশোনা করে পরীক্ষা দেয় এবং প্রিলি পার হতে পারে না তারাই বেশি গুঁজব ছড়ায়।
সব সময় ন্যাগিটিভ বিষয় আমাদের চোখে ও মনে বেশি দাগ কাটে, কিন্তু গত রেলওয়ের নিয়োগে শুধু মাত্র মেধায় চাকরি হয়েছে কতজনের সেটার কি খরব রেখেছেন?
তাই বাজে চিন্তা না করে নিজের কাজ ভাল ভাবে করুন সব সম্ভব।



ভাইভা প্রস্তুতির বিষয়ে কথা বলার আগে ভাইভাতে উপস্থিত হতে কোন কোন কাগজ বা সার্টিফিকেট লাগবে সে বিষয়ে তালিকাটা প্রকাশ করা দরকারঃ

নিচের বিষয় গুলো ভাল করে ফলো করুন  এবং নিজ দায়ীত্বে সে গুলো রেডি করুন নয়ত সব বিফলে যাবে।

১)  যদি আপনি সরকারি বা আধা-সরকারি চাকরি করে থাকেন তবে তাদের অনুমতি পত্র সাথে নিতে হবে, অর্থাৎ অনাপত্তি ছাড়পত্রের মূল কপি নিতে হবে।

২) মৌখিক পরীক্ষার সময় শিক্ষা জীবনরে সকল সার্টিফিকেটের মূল কপিসহ এক সেট সত্যায়িত কপি সাথে নিতে হবে।

৩) এপ্লিকেশন ফরমসহ এক সেট সত্যায়িত কপি নিতে হবে।

৪) জেলার স্থায়ী বাসিন্দার প্রমাণ দিতে ইউনিয়ন সনদ নিতে হবে।

৫) জাতীয় পরিচয় পত্রেরে মূল কপিসহ একসেট ফটো কপি।

৬) মুক্তিযোদ্ধার.....পুত্র, কন্যা, পুত্র কন্যার পুত্র কন্যা তার প্রমাণপত্র নিতে হবে।

৭) সকল কাগজপত্র সুন্দর করে সাজিয়ে ফাইলে নিয়ে রাখতে হবে।




ভাইবা প্রস্তুুতির জন্য আলাদা কোন কিছু পড়াশোনা নাই, তার পরেও যে বিষয় গুলো জানা দরকার 
এখানে দেওয়া হল > ভাইভা নোট পেতে এখানে  ক্লিক করুন


বাংলাদেশ রেলওয়ে সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন মাথায় রাখা দরকার।

প্রশ্ন : বাংলাদেশে সর্বপ্রথম রেললাইন প্রতিষ্ঠিত হয় কোথায়?
উত্তর : দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত (১৫ নভেম্বর ১৮৬২)।

প্রশ্ন : রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম কী?
উত্তর : Ministry of Railways।

প্রশ্ন : BRA’র পূর্ণরূপ কী??
উত্তর : Bangladesh Railway Authority.

প্রশ্ন : রেললাইন বিশ্বে প্রথম কোথায় উদ্বোধন করা হয়?
উত্তর : যুক্তরাজ্যে ।

প্রশ্ন : বিশ্বে কবে প্রথম রেললাইন চালু করা হয়?
উত্তর : ২৭ সেপ্টেম্বর ১৮২৫।

প্রশ্ন : রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক কে?
উত্তর : স্টিফেনসন।

প্রশ্ন : পাকিস্তান ইস্টার্ন রেলওয়ের নাম কবে বাংলাদেশ রেলওয়ে করা হয়?
উত্তর : ১৯৭২ সালে।

প্রশ্ন : ব্রিটিশ বাংলার প্রথম রেলপথ চালু হয় কবে, কোথায়?
উত্তর : ১৮৫৪ সালে, হাওড়া থেকে হুগলি পর্যন্ত (৩৮ কিমি)।

প্রশ্ন : বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ (BRA) কবে গঠন করা হয়?
উত্তর : ১২ আগস্ট ১৯৯৫।

প্রশ্ন : রেলপথ বিভাগ সৃষ্টি করা হয় কবে?
উত্তর : ২৮ এপ্রিল ২০১১।

প্রশ্ন : রেলপথ বিভাগকে কবে রেলপথ মন্ত্রণালয়’ নামকরণ করা হয়?
উত্তর : ৪ ডিসেম্বর ২০১১।

প্রশ্ন : বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর নাম কী?
উত্তর : মা নূরুল ইসলাম সুজন।

প্রশ্ন : রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা টি বা প্রতিষ্ঠান কী কী?
উত্তর : বাংলাদেশ রেলওয়ে ও রেলপথ পরিদর্শন অধিদপ্তর।

প্রশ্ন : বাংলাদেশ রেলওয়ে কয়টি অঞ্চলে বিভক্ত?
উত্তর : দুটি পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল।

প্রশ্ন : বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিম এ অঞ্চলের সদর দপ্তর কোথায়?
উত্তর : যথাক্রমে চট্টগ্রাম ও রাজশাহী।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস চালু হয় কবে?
উত্তর : ১৯৮৬ সালে।

প্রশ্ন : কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের এ নির্মাণকাজ শুরু হয় কবে?
উত্তর : ১৯৫০ সালে।

প্রশ্ন : কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি কে?
উত্তর : ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম ও বব বুই।

প্রশ্ন :কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন উদ্বোধন করা হয় কবে?
উত্তর : ২৭ এপ্রিল ১৯৬৮।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রেলওয়ে স্টেশন কোনটি?
উত্তর : কমলাপুর, ঢাকা।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলওয়ে প্লাটফর্মটি কোথায়?
উত্তর : কমলাপুর, ঢাকা।

প্রশ্ন : রেলওয়ের লােকোমােটিভ কারখানা কতটি?
উত্তর : ৪টি ঢাকা ১টি, পার্বতীপুর ২টি ও চট্টগ্রাম ১টি।

প্রশ্ন : রেলওয়ে ক্যারেজ অ্যান্ড ওয়াগন কারখানা কতটি?
উত্তর : ২টি চট্টগ্রাম ও সৈয়দপুর।

প্রশ্ন : কত বছর বয়সি শিশু বিনা ভাড়ায় ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারে?
উত্তর : ৩ বছর।

প্রশ্ন : বাংলাদেশ রেলওয়ে কবে ই-টিকেটিং সিস্টেম চালু করে?
উত্তর : ২৯ মে ২০১২।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের ট্রেনগুলাের জ্বালানি কী ধরনের?
উত্তর : ডিজেল।

প্রশ্ন : বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা কোথায়?
উত্তর : সৈয়দপুর, নীলফামারী (প্রতিষ্ঠা- ১৮৭০ সালে)।

প্রশ্ন : কয়টি বিভাগের সকল জেলা রেল লাইনের আওতায় রয়েছে?
উত্তর : তিনটি রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট।

প্রশ্ন : কোন বিভাগে রেললাইন নেই?
উত্তর : বরিশাল।

প্রশ্ন : রেলের মাধ্যমে ঢাকা হতে সর্বোচ্চ দূরত্বের জেলা কোনটি?
উত্তর : পঞ্চগড় (৬৩৯ কিমি)।

প্রশ্ন : রেলপথে ঢাকা থেকে সর্বনিম্ন দূরত্বের জেলা কোনটি?
উত্তর : নারায়ণগঞ্জ (২৩ কিমি)।

প্রশ্ন : ঢাকা বিভাগের কয়টি জেলা এখনাে রেল নেটওয়ার্কে আওতায় আসে নাই?
উত্তর : ৪টি শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও মাদারীপুর।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের কোন জেলায় সর্বশেষ রেল সংযোগ চালু হয়?
উত্তর : টাঙ্গাইল।

প্রশ্ন : কোন জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ রেলপথ রয়েছে?
উত্তর : চট্টগ্রাম (১৭৮.৪৫ কিমি)।



ট্যাগঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের নাম
বাংলাদেশ রেলওয়ে সম্পর্কিত প্রশ্ন
বাংলাদেশে রেলওয়ে গেজ কয়টি
ভাইভা প্রস্তুতি
ভাইভা বোর্ডে
ভাইবার প্রশ্ন ও উত্তর
পরিবার পরিকল্পনা ভাইভা প্রশ্ন
ভাইভা পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর pdf
ওয়েম্যান পদরে ভােইবা/ভাইভা প্রস্তুতি

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

tnx for commet..

গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দেখুন

( সিভিল সার্জনের কার্যালয়) স্বাস্থ্যসহকারী পদের প্রশ্ন সমাধান

             স্বাস্থ্যসহকারী পদের প্রশ্ন সমাধান           ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীর নিয়োগ পরীক্ষা                  পদঃ স্বাস্থ্যসহকারী...

সবচেয়ে চাহিদার পোস্ট গুলো