বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৩

[ ATEO ] সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষার সাজেশন / সিলেবাস / নম্বর বণ্ঠন

 [ ATEO ] সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে নিয়োগ সার্কুলার ২০২৩ প্রকাশ করার সাথে সাথে এই পদে নিয়োগ পরীক্ষার সাজেশন ও কোন কোন অধ্যায় থেকে প্রশ্ন কারা হয় বা পরীক্ষার ধরণ ইত্যাদি বিষয়ে জানতে চেয়ে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল JOB HELPLINE BD তে কমেন্ট করেছেন, সেই ধারাবাহিকতায় আমরা চেষ্টা করব আপাত মস্তক নিয়ে আলোচনা করার জন্য, তো চলুন শুরু করা যাক।

বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০২৩

[ সিভিল সার্জন কার্যালয় ] নিয়োগ পরীক্ষার সাজেশন / প্রশ্ন প্যাটার্ন / মান বণ্ঠন / সার্কুলার / সাস্থ্য সহকারী পদের কাজ কি?

 বাংলাদেশ সিভিলি সার্জন কার্যালয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে এবং সারা বাংলাদেশে  প্রতিটা জেলায় ক্রমান্নয়ে সার্কুলার প্রকাশ করা হচ্ছে, যার ধারাবাহিকতায় আজকে আমাদের আয়োজনে থাকছে এই নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

লেখক ঃ ID WWW.FACEBOOK.COM/SUJON901


সাজেশন নিয়ে বিস্তারিত জানতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল job helpline bd ফলো করতে পারেন

প্রথমেই সিভিল সার্জন নিয়ে পরিচয় পর্বটা শেষ করা যাকঃ

ব্রিটিশ সম্রাজ্ঞী নিয়ন্ত্রিত ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের উত্তরসূরি ছিল এই সিভিল সার্জন। স্বাধীনতার পর থেকে এটি সিভিল সার্ভিস অধ্যাদেশের দ্বারা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস হিসাবে পরিচিতি হয়। এর মূলনীতি ও পরিচালনা পরিষদ বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত হয়। বিসিএস এর ক্যাডার সংখ্যা হল ২৬ টি।  সিভিল সার্জন জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের প্রশাসনিক কার্যালয়ের অধীনে জেলার নিয়ন্ত্রণাধীন সকল উপজেলা/ থানা স্বাস্থ্য সেবা ও মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শন, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , মহামান্য রাষ্ট্রপতি , জাতীয় সংসদের অধিবেশন ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ন অতিথি, প্রাকৃতিক দূর্যোগ এ স্বাস্থ্যসেবায় এ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিকেল টিম গঠন করে থাকেন।

 ঢাকা শহরে অবস্থিত সরকারি বহিঃবিভাগ ডিসপেন্সসারি ও স্কুল হেলথ ক্লিনিকের কার্যক্রম পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য বিষয়ক সকল প্রশিক্ষণ সম্পাদন করা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেন। সরকারী-বেসরকারী চাকুরীজীবি ,চাকুরীপ্রার্থী ও বিদেশগামীদের মেডিকেল ফিটনেস সনদ প্রদান করে থাকেন।  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

এই কলাম থেকে বোঝার কথা আপনার চাকরি হওয়ার পরে আপনাকে কোন ধরণে কাজ করতে হবে।উপরের আলোচনার মাধ্যমে আপনার হয়ত বোঝা হয়েগেছে যে কোন ধরনের সরকারি প্রতিষ্ঠান  এবং এখানে চাকরি পতে  কতটা পরিশ্রম করা দরকার।

যেহেতু বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য সার্কুলার প্রকাশ করছে তাই কোন একটা পোস্ট নিয়ে এখানে আদাভাবে আলোচনা না করে আমরা চেষ্টা করছি আপাদ মস্তক নিয়ে বিস্তারিত বলার।

অনেকেই সাস্থ্য সহকারী পদে আবেদন করছেন বা পরীক্ষার সহযোগী হিসেবে বিগত সালের সাস্থ্য সহকারী পদের প্রশ্ন সমাধান চেয়েছেন  এখানে স্পষ্ট ভাবে বলে রাখি সিভিল র্সাজন অনার্সের নিছে খুব কম সময় সার্কুলার প্রকাশ করেন এবং এই পদ গুলোতে সাধারনত বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন তাই এই পদ গুলোতে এখন পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা হয়নি তাই বিগত সালের প্রশ্ন আপনেরা পাবেন না।

[ সাস্থ্য সহকারী পদের কাজ কি? ] স্বাস্থ্য সহকারীরা স্বাস্থ্য বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এরা ইপিআই (টিকাদান) কার্যক্রম পরিচালনা, স্থানীয় মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করা, বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়াসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকেন সাধারণ মানুষকে।

স্বাস্থ্য সহকারী এর মূল কাজ হচ্ছে মাঠ পর্যায়ে শিশুদেরকে টিকা প্রদান করা। আপনার এলাকায় যেটিকা প্রধান করে থাকে এবং কি পোলিও দিয়ে থাকে এবং কি মায়েদেরকে যে টিকিটিকা দিয়ে থাকেএছাড়া  টিকিটিকা দিয়ে থাকে সেটিও মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্য । মোটকথা এটি হচ্ছে আমাদের প্রতিটি গ্রামে যে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাচ্চাদেরকে টিকা প্রদান করে থাকে সেটি হচ্ছে স্বাস্থ্য প্রদানের সহকারীর মূল কাজ। আপনাকে স্বাস্থ্য সহকারীর যে শরম গজাম গুলো থাকবে সেগুলো নিজেকেইবহন করতে হবে। আপনাকে  প্রায় 20 কেজি ওজনের মত জিনিস বহন করে নিয়ে যেতে হবে। সরকারি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সবচাইতে শ্রম দিয়ে কাজ করতে হয়। মা ও শিশুকে ১০ টি রোগ থেকে বাঁচার জন্য মূলত এর টিকাটি দিয়ে থাকে স্বাস্থ্য কর্মীরা। প্রতিবছর শিশুদেরকে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি পাঁচ বছরে একবার শিশুদেরকে পোলিও /ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় এ কাজটি করে থাকেন আপনার স্বাস্থ্য সহকারী কর্মীরা। দুই বছরের কম সকল শিশুদেরকে  কৃমি   ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লে সারারাত বাংলাদেশে প্রতিটি জেলা এবং ইউনিয়ন এবং ইউনিয়ন এবং এলাকাবৃত্তিকভাবেও স্বাস্থ্যকর্মীরা আপনার টিকা প্রদান করে থাকেন। আশা করি আপনাদেরকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছি।


সিভিল র্সাজন কার্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষার ধরণঃ

সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষার জন্য সাধারণত তিনটা ধাপে নিয়োগ কার্য শেষ করা হবে।

ক) প্রথম বাছাই পরীক্ষা বা প্রিলিমিনারি ।

খ) লিখিত পরীক্ষা।

গ) ভাইভা পরীক্ষা।

নোটঃ কম্পিটার অপারেটর পদের জন্য প্রিলি বা লিখিত পরীক্ষার পরে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা নিবে তার পরে ভাইভা পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত রেজাল্ট প্রকাশ করবে।

এখন কথা হল পরীক্ষার প্রস্তুতি কোনটা নিলে ভাল হবে লিখিত নাকি এমসিকিউ?

উত্তরঃ লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সবচেয় ভাল হবে।

সাস্থ্য সহকারী পদে পরীক্ষার জন্য কোন বই বা প্রশ্ন গুলো পড়লে সব চেয়ে ভাল হবে?

চাকরি পরীক্ষার জন্য আলাদা আলাদা বই পড়া কোনো বাধ্যতামূলক নায় তাই স্প্যাসিফি বই পড়ে কোনো সময় ভাল করা যাবে না। ব্যসিক ভাবে পড়াশোনা করতে হবে এবং প্রচুর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করতে হবে।

নোটঃ বু্দ্ধি খাটিয়ে পড়াশোনা করলে খুব সহজে ভাল প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব যেমন পদের সাথে প্রশ্নের অনেক মিল রয়েছে বা সম্পর্ক রয়েছে। সাস্থ্য সহকারী প্রশ্ন ও পদের সাথে পরিবার পরিকল্পনা, সমাজসেবা, শিশু মন্ত্রণালয় এর অনেক মিল রয়েছে তাই বিগত সালের এসব পদের প্রশ্ন বের করে প্রচুর সমাধান করতে হবে।


যেমন, টিকা, মাথা পিছু আয় ব্যায়, সাস্থ্য, জন্ম নিয়ন্ত্রণ, মৃত্যু হার জন্ম হার, রোগ, সাস্থ্য বিষয় দিবস ও সাল এসব বিয়য়ে প্রশ্ন আসবে এবং  পরিবার পরিকল্পনা, সমাজসেবা, শিশু মন্ত্রণালয় এখানকার বিগত সালেরর প্রশ্ন থেকে এসব তথ্য পাবেন এবং নোট করে করে পড়তে পারেন।


Tag:

সাস্থ্য সহকারী পদের কাজ কি?

 কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষার বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষার সার্কুলার।

সাস্থ্য সহকারী পদে নিয়োগ পরীক্ষার সাজেশন।

সাস্থ্য সহকারী পদে নিয়োগ পরীক্ষার জন্য কোন বই পড়লে ভাল হবে।

জেলা ভিত্তিক নিয়োগ সার্কুলার সিভিল র্সাজন কার্যালয়।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নিয়োগ সার্কুলার ২০২৩

সিভিল সার্জন এর কাজ কি

সিভিল সার্জন প্রত্যয়নপত্র

সিভিল সার্জন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩

সিভিল সার্জন কিভাবে হয়

সিভিল সার্জন বরাবর দরখাস্ত

সিভিল সার্জন স্বাস্থ্য সহকারী কাজ কি

সিভিল সার্জন রাজশাহী

সিভিল সার্জন কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট

hsd.gov.bd

মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০২৩

[BCS] বিসিএস পরীক্ষা দুই বারের বেশি নয় ও শিক্ষাগত যোগত্যার পরিবর্তনের চিন্তা করছে সরকার / আপডেত তথ্য

দুই বারের বেশি বিসিএস পরীক্ষা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তনের চিন্তা করছে সরকার, নির্দিষ্ট জিপিএ ছাড়া আবেদ যোগ্যতা থাকবে না এ বিষয় নিয়েও কথা হয়েছে বলে জানা গেছে জনপ্রশাসন ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিভিন্ন সূত্র থেকে।

তবে পরিবর্তনের এই বিষয় গুলো এখনো প্রাথমিক র্পযায়  বলে জানা গেছে ও চূড়ান্ত ভাবে পরিবর্তনের জন্য মতামত ও বৈঠকের বিষয় আছে বলে মতামত প্রকাম করেছে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনার্স শেষ করা থেকে শুরু করে অনেকেই ৫ থেকে ৬ বার বিসিএস পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারে, ফলে অর্নাস পাশ করে যারা প্রথম বিসিএস পরীক্ষা দেয় তাদের সাথে যোগান দিতে পারে না প্রথম পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা, এতে বিশাল বৈষ্যম্যের সৃষ্টি হয়  এবং প্রথম পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা চাকরির সুযোগ কম পাচ্ছে মূলত এই সমস্যা সমাধানের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার চিন্তা করছে সরকার।


নাম প্রকাশ না করে পিএসসির এক সদস্য থেকে জানা গেছে বিসিএস পরীক্ষা দুইবারে বেশি দেওয়া বন্ধ ও জিপিএর পরিবর্তন করারর জন্য সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এসব বিষয় নেতিবাচক বলে মনে করছে সরকার।

ভার্সিটি পরীক্ষাতে  এসব নিয়ম রয়েছে তাই চাকরির ক্ষেত্রেও এ সকল বিষয় অন্তর্ভূক্ত করা দরকার বলে মনে করছেন তারা।

পিএসসির একটি সূত্র বলেছে ব্যাংকে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট একটা মাপকাঠি রয়েছে যেখানে বেশি সার্কুলারে প্রথম বিভাগ সিজিপিএ চাওয়া হয় সেখানে বিসিএস পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে শুধু মাত্র পাশ করলেই হয়।

বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে যেহেতু বাংলাদেশের বড় বড় পোস্টে দায়ীত্ব পালন করে তাই আমরা চাচ্ছি মেধাবিরাই এখানে আসুক।

ওই সূত্র আরও জানায়, বিসিএসে কীভাবে মেধাবীদের আনা যায় সে বিষয়ে গবেষণা চলছে। কেননা যারা বিসিএস পরীক্ষা দেন তাদের মধ্য থেকেই সচিব, পুলিশ প্রধানসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হন। কাজেই মেধাবীদের বিসিএসমুখী করতে হলে সবাইকে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। এজন্য একাধিকবার বিসিএস পরীক্ষার সুযোগ বন্ধের বিষয়েও আলোচনা চলছে।

পিএসরির চেয়ারম্যান বলেন আমরা চেষ্টা করছি মধাবিদের এখানে আনার জন্য, পরিবর্তনের কথা চলছে কিন্তু সিদ্ধন্ত হয়নি, সিন্ধান্ত সরকারের উপর নির্ভর করে আমরা এখানে মতামত প্রকাশের কেউ নয়, সরকার যা বলবে আমরা সেই মতামত গ্রহণের মাধ্যমে নতুন সার্কুলার প্রকাশ করো।

তিনি আরও বলেন, আপনি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কলেজে ভর্তির যোগ্যতা নির্ধারণ করছেন। তাহলে বিসিএস পরীক্ষার ক্ষেত্রে কেন যোগ্যতা নির্ধারণ করবেন না? যে ছেলে বা মেয়ে স্নাতকে কোনোভাবে পাস করেছে সে বিসিএসে টিকবে না। কেননা অ্যাকাডেমিক পরীক্ষার চেয়ে বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্ন কঠিন হয়। কাজেই বিসিএসে যোগ্যতা নির্ধারণ করা সময়ের দাবি।

তথ্যটা প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার ঝড় হয়েছে, অনেকেই মতামত প্রকাশ করেছে শিক্ষাগত জীবনে সবচেয়ে খারাপ রেজাল্ট নিয়েও বিসিএস এ প্রথম হয়েছে এমন নজির অনেক আছে তাই এসব পরিবর্তন যৈক্তিক নয় বলে দাবি করেছে তারা। এমন পরিবর্তন যদি হয় ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির চাকরি পরীক্ষার ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন আসতে পারে বলে তাদের চিন্তা।

আবার অনেকেই মতামত প্রকাশ করেছে যে, বিসিএস একটি বেকার তৈরির কারখানা যদি এমন পরিবর্তন আসে তাহলে অনেক কম সময়ে বেকারত্ব থেকে মুক্তি পাবে অনেকেই, তাই এটার পরিবর্তন ইতিবাচক বলে মনে করেন তারা।

সঠিক আপডেট সব সময় পেতে ফলো করে রাখতে পারেন ও আমাদের ইউটিউব চ্যানেল job helpline bd সাবসক্রাইব করে রাখতে পারেন।

আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।


tag: 

বিসিএস পরীক্ষায় দুই বারের বেশি সুযোগ না দেওয়ার চিন্তা।

 বিসিএস পরীক্ষা ২ বারের বেশি নয়, থাকছে নির্দিষ্ট জিপিএ।

বিসিএস পরীক্ষার শিক্ষাগত যোগ্যতার পরিবর্তন।

বিসিএস পরীক্ষা দুই বারের বেশি দেওয়ার শিদ্ধান্ত।

বিসিএর পরীক্ষার শিক্ষাগত যোগ্যতার কি কি পরিবর্তন হবে?

BCS JOB EXAM UPDATE NEWS 

BCS JOB AID


অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি / সজেশন/ নম্বর বণ্ঠন

 অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি / সজেশন/ নম্বর বণ্ঠন


সরকারি দপ্তরগুলোতে প্রতিনিয়ত অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রদে নিয়োগের সার্কুলার প্রকাশ করা হয় যেখানে অন্য সকল পরীক্ষা বা সার্কুলারের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয় আর এই পদ গুলোতে সারা বছরই নিয়োগ পরীক্ষা থাকে যার কারণে প্রস্তুতি দ্রুত ও সফলতার পার্সেন্টহার সব চেয়ে বেশি।

মূল বিষয় হল, এই পদে বাস্তব দক্ষতা না থাকার কারণে অনেকেই পরীক্ষার  সকল ধাপ পার করলেও টাইপিং না জানার কারণে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ফেল করে আর  এখানে সবয়ে বেশি নিয়োগ হয় ফেয়ারে কারণ অদক্ষ লোকের এখানে চাকরি করার সুযোগ নেই।

কম্পিউটার অপারেটর ও সাঁটমুদ্রাক্ষরিক পদে প্রায়ই জনবল নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এসব পদের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। আগে থেকেই প্রস্তুতি থাকলে নিয়োগ পরীক্ষায় পাস  করা সহজ হয়। বিস্তারিত জানাচ্ছেন  এম এম মুজাহিদ উদ্দীন


নিয়োগ পরীক্ষা যেভাবে

অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর বা কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক পদের নিয়োগে সাধারণত ৭০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হয় তবে সকল মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর সরাসরি লিখিত পরীক্ষা নাও নিতে পারে যদি প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকে তবে প্রথমে প্রিলি তার পর লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়, আবার অনেক সময় দেখা যায় প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকার কারণে সোজা প্রিলি পরীক্ষা  নিয়ে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়।

(লিখিত পরীক্ষায় যাঁরা পাস করেন, তাঁদের কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতা প্রমাণের জন্য ব্যাবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সাঁটমুদ্রাক্ষরিক পদের প্রার্থীদের একই সঙ্গে কম্পিউটার ও সাঁটলিপির ব্যাবহারিক পরীক্ষায় পাস করতে হয়)


 এখন অনেকেই বলতে পারেন, কম্পপিটার পদের নিয়োগ পরীক্ষার  প্রস্তুতি তাহলে কোনটা নেওয়া ভাল হবে? লিখিত নাকি এমসিকিউ

বর্তমান সময়ে চাকরির প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে হলে আপনার চারদিগে ধার থাকা লাগবে তাই প্রথমে প্রিলির প্রস্তুতি নিবেন আর ‍প্রিলির প্রস্তুতরি সাথে লিখিত পরীক্ষার প্রস্ততি ৮০% হয়ে যাবে তার জন্য আপনাকে বিগত সালের প্রশ্ন গুলো আগে সমাধান করতে হবে তাহলে  এমনি বুঝবেন কোন ধরণের প্রস্তুতি আপনার নেওয়া দরকার।

নোটঃ প্রিলির প্রশ্ন গুলো এম ভাবে পেড়বেন সেই প্রশ্ন গুলোই লিখিত আকারে আসবে যাস্ট শূণ্যস্থান আকারে যার কারণে আপনার প্রস্তুতি ধারালো করার জন্য বিগত সালের কম্পিউটার আাপারেটর পদে যত প্রশ্ন আছে তা স্কিপ না করে নোট করে করে সমাধান করুন।

পড়া দ্রুত গুঁছিয়ে নেওয়ার জন্য প্রথমে বিগত সালের প্রশ্ন ভাল করে পড়ে তার পরে বিগত বিসিএস পরীক্ষার কম্পিউটার, সাধারন জ্ঞান, বাংলা, ইংলিশ, দৈনন্দির বিজ্ঞান পার্ট গুলো ভাল করে শেষ করতে পারলে আপনার প্রস্তুতি ৯০% শেষ।

১০০% চাকরির প্রস্ততি শেষ করতে আপনাকে ব্যাখ্যাসহ বিগত প্রশ্ন সমাধান করতে হবে আর বর্তমান সময়ে চাকরির প্রশ্ন গুলো ব্যাখ্যা থেকে বেশি করা হচ্ছে।


শিক্ষাগত যোগ্যতা

অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে আবেদনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা সাধারণত ন্যূনতম উচ্চ মাধ্যমিক পাস হতে হয়, আবার সিনিয়র পদ গুলোতে অনার্স  চায় তবে ৯৮% সার্কুলারে এইএসি চায়। এটা ৩য় শ্রেণির কর্মচারীর পদ। 

ছাড়া প্রার্থীর টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে ২০ থেকে ৩০ শব্দ (বাংলা ও ইংরেজি) লেখার গতির পাশাপাশি কম্পিউটারের  মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, ডাটা এন্ট্রি, ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও ই-মেইলে কর্মদক্ষতা চাওয়া হতে পারে। ব্যাবহারিক পরীক্ষার সময় এগুলো যাচাই করা হয়। 


পরীক্ষার প্রস্তুতি

অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর,

 কম্পিউটার অপারেটর,

 উচ্চমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদের পরীক্ষার প্রস্তুতি দুই ভাবে নেওয়া হতে পারে।

 প্রথমত—লিখিত পরীক্ষার ৭০ নম্বরের প্রস্তুতির জন্য বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান, কম্পিউটারের তাত্ত্বিক বিষয় থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। 

বাংলায় ২০,

 ইংরেজিতে ১৫-২০,

 ও সাধারণ জ্ঞানে ১০-১৫ নম্বর।

 এসব বিষয়ে সাধারণত ১ নম্বরের এককথায় প্রশ্নোত্তরের প্রশ্ন থাকে। এ ছাড়া গণিতে তিন-চারটি প্রশ্ন এসে থাকে, যেগুলো সমাধান করে দেখাতে হয়, প্রতিটি অঙ্কের জন্য বরাদ্দ থাকে ৫ মার্কস। গণিতে মোট ১৫ থেকে ২০ মার্কস বরাদ্দ থাকে। এ ছাড়া মাঝেমধ্যে বাংলা অথবা ইংরেজিতে ভাবসম্প্রসারণ অথবা টীকা লিখতে আসে। যার জন্য ৫ নম্বর বরাদ্দ থাকে।

দ্বিতীয় ধাপে—ব্যাবহারিক পরীক্ষার জন্য কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতা অর্জন করতে হয়। আর সাঁটমুদ্রাক্ষরিক পদের জন্য সাঁটলিপি লেখা জানতে হয়। এই দুই ধরনের প্রস্তুতির কোনোটির ঘাটতি থাকলে চাকরি পাওয়া সম্ভব হয় না।

লিখিত পরীকক্ষার প্রস্তুতি

এসব পদের জন্য বিগত বছরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে সেগুলো বুঝে বুঝে সমাধান করতে হবে। মুখস্থ করার বিষয়গুলো মুখস্থ করে ফেলতে হবে। তারপর প্রশ্নগুলো দেখে দেখতে হবে পরীক্ষায় কোন ধরনের প্রশ্ন বেশি আসে এবং কোন টপিক থেকে প্রতিবছরই প্রশ্ন এসে থাকে। এগুলো বিশ্লেষণ করে খাতায় টপিকভিত্তিক গুরুত্বানুসারে সাজানো যেতে পারে। এভাবে নিজের সাজেশন নিজেই করে নিতে পারেন।

 লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অন্যান্য সরকারি চাকরি সহায়ক বইগুলো পড়লে যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদের জন্য বাজার থেকে আলাদা কোনো গাইড বই কেনার প্রয়োজন নেই। বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় আসা বিগত সালের প্রশ্নগুলো চর্চা করা যেতে পারে।

 ইংরেজিতে প্রথমে বেসিক গ্রামার শিখতে হবে। তারপর গ্রামারের পাশাপাশি মেমোরাইজিং আইটেম তথা মুখস্থ বিষয়গুলোর ওপর জোর দেওয়া যেতে পারে। যেমন : Synonyms and Antonyms, Idioms and Phrases, one word substitution, spelling mistakes, Appropriate prepositions, Group verbs, Proverb প্রভৃতি।

 গণিতের ভিত্তিও মজবুত করতে হবে। পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণির গণিত বইগুলো বুঝে বুঝে সমাধান করতে পারলে গণিতে ভালো করা যাবে।

বাংলায় ব্যাকরণ ও সাহিত্য থেকে প্রশ্ন এসে থাকে। ব্যাকরণ অংশের প্রস্তুতির জন্য নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড ব্যাকরণ বই এবং সাহিত্য অংশের প্রস্তুতির জন্য বাজারের প্রচলিত ভালো মানের একটি গাইড বই-ই যথেষ্ট।

মাধ্যমিকের কম্পিউটার বই ও বাজারের প্রচলিত ভালো মানের একটি বই থেকে প্রস্তুতি নিলে কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তির লিখিত পরীক্ষায় ভালো প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব।

 বিসিএসসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় আসা বিগত সালের প্রশ্নগুলো বেশি বেশি চর্চা করা যেতে পারে।

  সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতির জন্য অষ্টম শ্রেণি ও নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইটা নোট করে পড়া যেতে পারে।

এ ছাড়া নিয়মিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকা পড়লে সাধারণ জ্ঞানের অনেক বিষয়ই সহজে আয়ত্তে চলে আসবে।


কম্পিউটারের ব্যাবহারিক দক্ষতা প্রস্তুতি

বাসায় কম্পিউটার থাকলে ব্যাবহারিক দক্ষতা ঘরে বসে নিজে থেকেই রপ্ত করা যায়। টাইপিংয়ে গতি বাড়ানোর জন্য নিয়মিত টাইপিং চর্চা করতে হবে। কি-বোর্ডের দুই হাতের আঙুল নিয়মমতো বসিয়ে কিভাবে বাংলা ও ইংরেজি টাইপিংয়ে দক্ষ হওয়া যায়, এমন অনেক টিউটরিয়াল অনলাইন বা ইউটিউবেই পাওয়া যাবে। এ ছাড়া বাংলা কি-বোর্ড লে-আউট বা কোন বাটন চাপলে বাংলা কোন অক্ষর আসবে, সেটাও মুখস্থ রাখতে হবে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদি শেখার জন্য ভিডিও ও পিডিএফ ফরম্যাটের বহু টিউটরিয়াল পাবেন অনলাইনে। চাইলে বইও কিনে নিতে পারেন। আপনার প্রতি মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাবটা এক্সেলে রাখতে পারেন। এতে আয়-ব্যয়ের হিসাবটা রেকর্ড করা হয়ে যাবে, আর আপনার এক্সেলও শেখা হবে। বর্তমান বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্নাসে পড়ার সময় পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দিতে হয়। কিন্তু আপনার ছাত্রজীবনে যদি এমনটা না হয়ে থাকে, তাহলে আপনি চাকরির প্রস্তুতির যেকোনো বিষয়ের নির্দিষ্ট টপিকের ওপর পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের স্লাইড তৈরি করতে পারেন। গুগলে সার্চ দিলেই ভালো মানের টিউটরিয়াল পেয়ে যাবেন।


সাঁটলিপির দক্ষতার প্রস্তুতি

সাঁটমুদ্রাক্ষরিক পদের জন্য সাঁটলিপি লেখা জানতে হবে। সাঁটলিপি জানা প্রার্থী কমই পাওয়া যায়। তাই আপনি সাঁটলিপি জানলে অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকবেন।  সাঁটলিপি শেখার জন্য বিভিন্ন কোচিং সেন্টার ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখানে নির্দিষ্ট কোর্স ফির বিনিময়ে সাঁটলিপি শেখার সুযোগ রয়েছে।


এ ছাড়া পরিচিত কেউ সাঁটলিপি জানলে তাঁর কাছ থেকেও শিখতে পারেন। নিয়মিত সাঁটলিপি চর্চার ফলেই সাঁটলিপিতে দক্ষতা অর্জন সম্ভব।

আরো বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের ইউটিউব চ্যানেল job helpline bd  ফলো করতে পারেন।

আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দেখুন

রেলওয়ে রেলভবন

নং-৫৪.০১.২৬০০,০০৮.১১,০১৬,২৩-০৫ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মহাপরিচালকের কার্যালয় পরিবহণ ও বাণিজ্যিক বিভাগ বাংলাদেশ রেলওয়ে রেলভবন, ঢাকা। (w...

বেশি সার্চ করা পোস্ট গুলো