বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

পরিবার পরিকল্পনার পরীক্ষা লিখিত নাকি এমসিকিউ হবে family planning job exam mcq OR WRITING

 পরিবার পরিকল্পনার পরীক্ষা লিখিত নাকি এমসিকিউ হবে?

Family plannig job exam will be held MCQ or writing?


আমরা সবাই একটা বিষয় নিয়ে চিন্তায় আছি পরিবার পরিকল্পনার পরীক্ষা এমসিকিউ নাকি লিখিত হবে?

বা পরিবার পরিকল্পনার পরীক্ষার প্রস্ততি কোন পদ্ধতিতে নিলে ভালো হয় ?


আসুন আজকে আমরা এটা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো।

পরিবার পরিকল্পনার সার্কুলারে বলা থাকে এমসিকিউ বা লিখিত পরীক্ষার জন্য কোনো টিএ দেয়া হবে না।

অর্থাৎ কোনো সিলেবাস বা পরীক্ষা লিখিত নাকি এমসিকিউ হবে এটার জন্য কোনো ধরণের নির্দেশনা দেয়া হবে না।

তবে সর্ট করে যদি বলি যে পরীক্ষা কোন ভাবে হবে সেটা ডিফেন্ড করে পদ সংখ্যা ও প্রার্থীর উপর,

আরো একটা বিষয় হলো সার্কুলার যদি সারা বাংলাদেশের জন্য হয় এবং সকল জেলার মানুষ সেখানে আবেদন করতে পারবে এবং পদ যদি বেশি হয় তবে পরীক্ষা এমসিকিউ হবে নয়ত জেলা উল্লেখ করে যদি সার্কুলার হয় এবং পদ যদি কম হয় তবে লিখিত পরীক্ষা হবে।

এবার পরিদশিকা পদে যেহেতু অনেক লোক নিয়োগ দেবে তাই পরীক্ষা এম সি কিউ হবে কারণ পদ বেশি এবং প্রার্থীও বেশি।


জেরা পর্যায়ে যেমন নিয়োগ হলো সেখানে পদ কম ছিলো এবং সার্কুলারে বালা ছিলা অমুক উপজেলার মানুষ ছাড়া আবেদন করতে পারবে না তাই সেই পরীক্ষা  গুলো লিখিত হয়েছে।


শূধু মাত্র পরিবার পরিকল্পনার পরীক্ষা নয় এরকম সকল পরী্ষার জন্যই কৌশলটা কাজে লাগাতে পারেন।

আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা পদে চাকরির মনোনেয়নের শার্তাবলী / পরীক্ষা পদ্ধতি ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত আলোচনা

 ● পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা পদের পরীক্ষা পদ্ধতি ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত আলোচনা


পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সম্প্রতি  ১ টি পদে মোট ১০৮০  পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।  এখানে আবেদনের জন্য সার্কুলারে সকল সর্ত থাকলেও এটা বুঝতে অনেকেরই সমস্যা হচ্ছে, তাই এই বিষয়ে আমরা বিস্তারিত ভাবে সমস্যা গুলো নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো আনশাআল্লাহ।

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা পদে চাকরির জন্য আবেদন করেছেন মোট 331778 জন।

আবেদনকারী কতজন এসব নিয়ে চিন্তা না করে প্রস্ততি কেমন সেটার উপর আলোকপাত করার চেষ্টা করুন কপাল ভালো থাকলে আশা করছি চাকারটা হবে।


যেহেতু এখানে মেয়েরা আবেদন করেছেন তাই তাদের অনেক সমস্যা থাকে যার কারণে সর্ত গুলো নিচে উল্লেখ করা হলো।

১) অবশ্যই বাংলাদেশের সিটিজেন হতে হবে।

২) চূড়ান্ত ভাবে মনোনয়ন প্রার্থীগণকে অবশ্যই নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে পরিবার পরিকল্যাণ পশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণের জন্য যোগদান করতে হবে।

৩) যোগদানের পূর্বে সিভিলি সার্জন কর্তৃক  শারীরিক সুস্থতা ও গর্ভবতী নয় এই মর্মে

 সনদপত্র দাখিল করতে হবে।

৪) গর্ভবতী হলে তার মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য  হবে।

৫) মনোনীত প্রার্থীগণ দেশের যে কোনো পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ গ্রহণে বাধ্য থাকিতে হবে।

৬) আবেদনকারী পরীবার পরিকল্যালণ পরিদর্শিকা পদে মনোনয়নের পর প্রশিক্ষনার্থী হিবেবে ১৮ মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণ কেরতে হবে।


 জন্য প্রার্থীদের কিছু শর্ত মাথায় রাখতে হবেঃ

 

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা বেতন কত?

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা কততম গ্রেডের চাকরি? বেতন গ্রেডঃ ১৪

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা পরীক্ষার প্রশ্ন সম্ধান

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা কাজ কি?

পরিবার কল্যণ পরিদপরিদর্শিকা পদে নিয়োগের সর্তকি কি?


পরীক্ষার মান বণ্ঠন ও পরীক্ষার ধরণঃ

পরীক্ষার ধরন: MCQ (70 marks)

ভাইভা হবেঃ ঢাকায়

এক নজরে প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু দেখে নেয়া যাক:

যে বিষয়ে পশিক্ষণ দেয়া হবে।

(১) এনাটমি ও ফিজিওলজী (২) ফার্মাকোলজী (৩) যোগাযোগ(৪) ডায়রিয়া (৫) ই পি আই(৬) এ আর আই (৭) শিশুর ক্রমবৃদ্ধি- পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ দান(৮) পুষ্টির অভাব জনিত রোগ(৯) গর্ভবতীর যত্ন (১০) প্রসবকালীন যত্ন(১১) প্রসবোত্তর যত্ন (১২)পরিবার পরিকল্পনা(১৩) সাধারণ স্ত্রী রোগ(১৪) প্রাথমিক চিকিৎসা(১৫) ধাত্রী প্রশিক্ষণ (১৬) ব্যবস্থাপনা(১৭) স্যাটেলাইট ক্লিনিক(১৮) দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায় মাঠ প্রশিক্ষণ ।
তাছাড়া রয়েছে একটি কোর্স-পরিচিতি ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের জন্য একটি চেকলিস্ট বই। ১৮ মাস ব্যাপী

fwv job exam suggetion and recuerment
family planninag job exam condition and
fwv job eaxam guidline

job helpline bd

প্রশিক্ষণ শেষে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকাদের কাজ হলো –
 
পরিকল্পনা ক্লিনিক ,
ইউনিয়ন পর্যায়ে অবস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কেন্দ্রে ,
জেলা পর্যায়ে অবস্থিত মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে,
গ্রাম পর্যায়ে স্যাটেলাইট ক্লিনিকে ও অন্যান্য
সরকারী ও বেসরকারী ক্লিনিকে অবস্থান করে জাতীয় স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কিত সকল প্রকার সেবা প্রদান করা ।

নোটঃ অনেকেই মনে করছেন এতো নিয়োম মেনে এই চাকরি করার দরকার নেই তাহলে ভুল মনে করছেন।
প্রথমে একটু কঠিন মনে হবে পরে আর সমস্যা থাকবে না কারণ প্রশিক্ষণ শেষ হলে তখন আর ঝামেলা থাকবেনা।

প্রয়োজনভিত্তিক
অন্যান্য সতেজীকর প্রশিক্ষণও এফ,ডব্লিউ,ভি,টি,আই থেকে প্রদান করা হয় ।
এছাড়াও মাঠ পর্যায়ে কর্মরত প্যারামেডিক্স ও বিভিন্ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের কর্মসূচী ভিত্তিক প্রকার মৌলিক ও
সতেজীকরণ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ কথাঃ
আগে পরীক্ষাদিন পরে সমস্যা গুলো নিয়ে ভাবা যাবে ।
এখন গর্ভবতী হলে পরীক্ষাসহ চূড়ান্ত নিয়োগ/প্রশিক্ষণ/ ইত্যাদি পরের বিষয়

সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর চাকরি সাজেশন / কোন বই পড়বো / তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির জন্য কোন বই পড়বো / চাকরির সাজেশন

 ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর চাকরির প্রস্তুতি ও সাজেশন

চেষ্টা করবো আপাদ মস্তক আলোচনা করার জন্য। (পার্ট 1)

তাঁর পরেও বলছি, যদি কিছু অজানা থাকে কমেন্ট করুন, আমরা চেষ্টা করবো সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করার জন্য।

প্রথম শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কথা বলছি, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর চাকরির আবেদন করতে 8থেকে শুরু করে HSC হলেই প্রায় সব সার্কুলারে আবেদন করা যায়, মজার বিষয় হলো সারা বছরই এই পদ গুলোর সার্কুলার হয় এবং ভালো প্রস্তুতি থাকলে কম সময়ে চাকরি হওয়ার সম্ভব না 95%।

এখন আসি পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নে..

এই পদ গুলোর পরীক্ষা লিখিত নাকি MCQ হয়?

উত্তরঃ দু'টাই হয়, যখন দেখবেন প্রার্থীর সংখ্যা 1/2 লাখ বা তার বেশি তখন mcq. যখন দেখবেন পদ কম, যেমন 100/50/70 পদ। এমন সময় হয় লিখিত, তবে কিছু কিছু মন্ত্রণায় সব সময় MCQ পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করে লিখিত পরীক্ষা নেয়।

মোটের উপর একটা কথা বলেন! 

প্রস্তুতি mcq নাকি লিখিত নিবো?

উত্তরঃ লিখিত।

লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি কেনো নিবেন এটা নিয়ে বিস্তারিত বললে শেষ হবে না, তাই না বলাই থাক, তবে 3টা কারণ বলছি।

ক) MCQ পরীক্ষা হলেও ভুল কম হবে।

খ) কাট মার্কস পেতে সাহায্য করবে।

গ) পরীক্ষা যেমনি হোক না কেনো আপনি সব সময় প্রস্তুত থাকবেন।

সর্ট সময়ে প্রস্তুতি কি ভাবে নেওয়া যায়?

যদি চাকরির পড়াশোনা শুরু করেন তবে 6মাসেও আপনি নতুন অবস্থায় বুঝতে পারবে না, যে কি পড়বেন আর কোথায় থেকে শুরু করবেন।

মানে ধার চিনতেই 3/4 মাস পার, তবে আমি চেষ্টা করছি সবচেয়ে সর্ট সময়ে একটা ভালো প্রস্তুতি নিয়ে....বলতে।

প্রথমে BCS প্রশ্ন গুলো গিলে নিতে হবে। তবে সব গুলো না, সেটা আপনাকে বুঝতে হবে কোন গুলো পড়বেন আর বাদ দিবেন।

 যদি BCS বিগত 30 সেট প্রশ্ন পড়ে শেষ করতে পারেন মনে করবেন আপনার প্রস্তুতি 70% শেষ।

 এখন কিছু মহাজ্ঞানী বলবে, কি যা তা বলছেন? সহজ ভাবে বলছি তাঁদের কথায় কান না দিয়ে 3/4 মাস এটা পড়ে শেষ করুন দেখবে তার পরে কেমন খেলা জমে।

 এখন আসি বই সাজেস্ট নিয়ে....

৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর চাকরির প্রস্তুতির জন্য কোন বই পড়বো?

গতকাল ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর চাকরির পার্ট 1 বা ব্যাসিক আলোচনা শেষ করা হয়েছে, আজকে বই সাজেস্ট নিয়ে কথা বলবো ইনশাআল্লাহ্।

প্রথমই বলা হয়েছিলো বিসিএস বিগত সালের প্রশ্ন শেষ করতে হবে, এখন প্রশ্ন করতে পারেন কোন বই থেকে এই প্রশ্ন গুলো শেষ করবো?

প্রথমে কিছু কথা বলছি, বাজারে হাজার রকমের বই পাবেন এবং অধ্যায়ভিত্তিক বইয়ের শেষ নেই, এত্তো বই কেনা শরু করলে চামড়া থাকবে না, তাই সহজ করে বলছি জব সলুশনটা বেস্ট,

ডাইজেস্ট নিলে শুধু বিগত সালের BCS প্রশ্ন পাবেন কিন্তু জব সলুশনে সব পাবেন, আর এই বইয়ে যা যা পাবেন অন্য সকল বইয়ে তার অধ্যাভিত্তিক বা সাবজেক্ট ভিত্তিত সাজানো হয়েছে।

যদি বিস্তারিত ভাবে বলা শুরু করি তবে এই নিয়ে (বই) গুণগান লিখতেই 3দিন লাগবে।


পড়ারার নিয়মটা একটু বলছি:

যদি মনে করেন bcs প্রশ্ন 10 দিনে শেষ করবেন তা জীবনের ভুল! এভাবে পড়লে সব কমন আসলেও উত্তর করতে পারবেন না, আর এটাই হয় পরীক্ষার হলে। (LS and R8 poroved)

নোটঃ

সব কমন কিন্তু কনফিউশন এমন প্রস্তুতি নেওয়া শেষ করলে বা মনে হলে বারবার সেই বিষয়ই পড়েন, যেনো মিস না হয়।

নতুন প্রার্থী হলে দ্রুত বিগত প্রশ্ন গুলো শেষ করা যাবে না এবং বই দাগানোর দরকার নেই, 

প্রথম অংক সমাধান করুন এবং জটিল লাগলে অন্যজনের হেল্পনিন,

পরে ইংলিশ সেইম অবস্থা,,,

স্কিপ করলেই আস্তে আস্তে চাকরির প্রতিযোগীদের কাছে আপনাকে হারতে হবে, কারণটা ব্যাখ্যা করছি।

ধরেন 10Th BCS এ 100টা প্রশ্ন আছে, এখানে 10টা প্রশ্ন আপনার কাছে কঠিন যা স্কিপ করলেন আবার 11Th BSc এ 12 টা সেইম ভাবে স্কিপ করলেন।

খেয়াল করুন, 2 সেট বিগত BCS প্রশ্ন পড়তে আপনি অলরেডি 22টা প্রশ্ন স্কিপ করেছেন, এভাবে পড়তে 30সেট প্রশ্ন সমাধান করতে কতটি প্রশ্ন স্কিপ করলেন?

আর সব গুলো চাকরি পরীক্ষা হয় মূলত 4/5 নাম্বারে এই 4/5 নাম্বার পাওয়ার জন্য আপনার এই জটিল বিষয় সমাধান করে পড়তে হবে নয়ত মাঠ চলে যাবে বলের বাইরে।

নোটঃ বিগত প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ পড়তে হবে কারণ এখান থেকে 60% প্রশ্ন করা হয় যেটাকে জটিল প্রশ্ন হয়েছে বলি।

এত্ত বর্ণনা করে লাভ নেই, বুঝলে বুঝপাতা নয়ত তেজপাতা।

কোন বইটা সবচেয়ে বেটার?

mcq প্রস্তুতির সাথে আপনার লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি হবে 85%, বাকী 15% আলাদা পড়তে হবে, এর জন্য বাজারে হরেক রকমের বই পাবেন কিন্তু আত্না জুড়াবেনা, আর হা-হুতাসও যাবে না।

আমার কাছে সব বই ভালো,

সবার বলার যোগ্যতা যেমন এক নয়, তাই বই লেখার ধরণও সবার এক হবে না একদম সিম্পল বিষয়।

কি বলেন বুঝতে পারিনি ভাই একটু ক্লিয়ার করে বলেন।

শোনেন যেই বইটা কিনবেন একদম ভালো করে যদি পড়েন মানে সেই বই পড়ে শেষ করে অন্যবই পড়লে মনে হবে মডেল টেস্ট দিচ্ছেন তাই যে কোনো একটা বই ভালো করে পড়েন।

যদিও সবার চোখে পরে না যে বইয়ে এত্তো ভুল থাকে!

 নোটঃ বইয়ের ভুল ধরার জন্য একাধিক বই রেফা করে পড়তে হয় নয়ত ভুল জেনেও তর্কে জড়াতে হয়, আর 1/2 টা বই পড়ে জব হয় না।

প্রফেসরের বই গুলো বেস ভালো, যদিও ভুল আছে তবে কানের পিঠ দিয়ে একটু মানসম্মনত।

তাই জব সলুশন এবং অফিস সহাক বইটা শেষ করে দেখুন সব পড়া হয়ে গেছে।

নোটঃ বুঝে পড়েন, উত্তর করার মতো পড়েন, সময় নিয়ে পড়েন।

 দ্রুত শেষ করলেও 5 বছরের প্রস্তুতি জলে আর বুঝে পড়লে 4 মাসেই উঠতে পারেন কলে।

 ধন্যবাদ।


শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

ফেয়ারে চাকরি পাওয়ার কৌশল / টাকা ছাড়া যে চাকরি হয়

 বর্তমান যে চাকরি ফেয়ারে হয়।


আমার অভিজ্ঞতা থেকে আজকে কিছু কথা বলবো, যদিও লেখা লেখি বাদ দিয়েছি কিন্তু এই গ্রুপের কিছু post দেখে মনে হলো যদি উপকারে আসে.....


চাকরির প্রস্তুতি অনেক ভালো কিন্তু একটা কথা বিশ্বাস করুন প্রিলি ও লিখিত পরীক্ষায় পাস করলেও প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় ফেল করে 95%, যার কারণে গত এক বছর আগে মন্ত্রণালয় হারিকেন লাগিয়েও যোগ্য প্রার্থী খুঁজে পায়নি।


খাদ্য অধিদপ্তরসহ আরো তিনটা মন্ত্রণালয় চূড়ান্তফল প্রকাশে নোটিশ দিয়ে ছিলো যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় পদ ফাঁকা রয়েছে।


এই পদ গুলোতে টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়া সহজ নয়, কারণ অযোগ্য প্রার্থী দিয়ে তারা ঘাস কাটাবে না বরং কাজের জন্য লোক নিবে তারা।


এবার আসুন ফেল করার কারণ কি?


ধরেন 100জন প্রার্থী চাকরি পরীক্ষায় টিকল কিন্তু 95 জন কম্পিটারে টাইপ করতে পারেনা আর যাই পারে মন্ত্রণালয়ের চাহিদা মতো স্পিড দিতে পারে না তাই তারা ফেল মারে।


এখন লোক নিবে 100 জন কিন্তু পাস করলো মাত্র 5জন।


খুব সহজে চাকরি পেতে নিজেকে আলাদা ভাবে সময় দিতে হবে, পড়াশোনার সাথে কম্পিটার জানতে হবে কারণ এখন সব চাকরির সার্কুলারে এই দক্ষতা চায়।


আমার তো সার্টিফিকেট নাই তাহলে উপায় কি?


সব মন্ত্রণালয় সার্টিফিকেট চায় না, সেখানে বলা থাকে 20 বাংলা, 30 ইংলিশে স্পিড থাকতে হবে।


তাই ফেয়ারে চাকরি পেতে নিজেকে প্রস্তুুত করুন।


কম্পিটার অপারেটর, কাম-কম্পিটার, মুদ্রাক্ষরিক কমা,,,,,

অফিস সহকারি কাম....

পদ গুলো বেস্ট মান সম্মত চাকরি।


প্রস্তুুতি/বই সাজেষ্ট নিয়ে সর্টে পরে কথা হবে।


ধন্যবাদ

বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

২৪২২ পদে র্নাস নিয়োগ সার্কুলার / নার্স নিয়োগ রীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতি সাজেশন / সিলেবাস / nursing job circular and suggetion

 ২৪২২ পদে র্নাস নিয়োগ সার্কুলার / নার্স নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতি সাজেশন / সিলেবাস / nursing job circular and suggetion.

আমরা সাবাই অবগত আছি  পিএসসি এর মাধ্যমে ২৪২২ পদে সরকারি ভাবে নার্স নিয়োগ দেওয়া হবে, নার্স নিয়োগ সার্কুলার যেহেতু অনেক কম হয় তাই এই বিষয়ে অনেক অজানা তথ্য আমরা বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো এবং এর প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করবো, আশা করছি নার্সিং নিয়োগ পরীক্ষার বিষয় নিয়ে আর কোনো অজানা থাকবে না।

প্রথম যে কথা না বললেই নয়, নার্সিং কোর্স শেষ করার পরে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী প্রাইভেট জবে জীবনের ক্যারিয়ার শুরু করে, কারণ সরকারি ভাবে নিয়োগ সার্কুলার কম হয়, তাই সবচেয়ে  কম প্রার্থী সার্কুলার হলেও এই পরীক্ষার সঠিক প্রস্ততি কিভাবে নিতে হয় জানে না। আজ আমরা একদম র্সট সিলেবাসে বিস্তারিত ভাবে বলার চেষ্টা করবো।

সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে আমরা ব্যাসিক কিছু প্রশ্নের উত্তর পর্ব প্রথমে শেষ করবো।


সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা কয় ধাঁপে হয়?

উত্তরঃ এই নিয়োগ পরীক্ষা সাধারনত চার ধাঁপে হয়, তবে প্রার্থীর সংখ্যা কম থাকলে তিন ধাঁপে হয়।

প্রথম এমসিকিউ, পরে লিখিত  এবং লিখিত পরীক্ষায় যারা টিকবে তাঁদের ব্যববহারিক পরীক্ষা দিতে হবে, তার পরে ভাইভা পরীক্ষা হয়।

এর পরে চূঢ়ান্ত রেজাল্ট প্রকাশ করে।


নিয়োগ পরীক্ষা যেভাবে

 সর্বপ্রথম ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

যারা এই পরীক্ষায় পাশ করবে বা কলিফায় হবে তাঁদের ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে।

 এমসিকিউ পদ্ধতিতে এক ঘণ্টাব্যাপী হবে। প্রার্থী প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাবেন। আর প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নম্বর থেকে ০.৫০ কাটা যাবে।


বাছাই পরীক্ষা হবে ৪ টি বিষয়েঃ

ক) বাংলা-২০

খ) ইংরেজি-২০

গ) সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি)-২০

ঘ) সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল বিষয়ে-৪০ নম্বরসহ সর্বমোট ১০০ নম্বরের।


প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ২০০ নম্বরের চার ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

 প্রিলি, লিখিত ও ব্যাবহারিকে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ৫০ নম্বরের ব্যাবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।  সরাসরি ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দিয়ে তারপর ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি হতে হবে।


নার্স নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি

সিলেবাম ভিত্তিক সাজেশনের আগে আমরা র্সট সাজেশন নিয়ে কথা বলি, বাংলাদেশের যে কোন চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতির আগে আপনাকে বিসিএস বিগত সালের প্রশ্ন পড়তেই হবে কারণ এখান থকে আপনি ৮০% প্রশ্ন হুবহু কমন পাবেন।

তাই নার্স নিয়োগ পরীক্ষার বিগত সালের প্রশ্ন গুলো সমাধান প্রথমে করবেন কারণ বিগত সালের প্রশ্ন গুলো সমাধান করলে আপনি বুঝতে পারবেন কোন গুলো পড়বেন আর কোন গুলো বাদ দিবেন এতে নিজেই একটা সিলেবাস করে নিতে পারবেন।

আরো একটা র্সট টেকনিকে প্রস্ততি নিতে পারেন।

বিগত সালের পিএসসির যত প্রশ্ন আছে পড়ে নিতে পারেন এতে আরো সহজ হবে কারণ এই প্রশ্ন পিএসসি করে আর প্রশ্ন প্যাটার্ন বোঝার জন্য বিগত সালের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রশ্ন দেখতে পারেন।


এর পরে বিগত সালের বিসিএস প্রশ্ন গুলো ভালো করে ব্যাখ্যাসহ সমাধান করে ফেলুন।

অনেকেই আবার বলতে পারেন এখানে তো অনেক প্রশ্ন, কিভাবে শেষ করবো? আসলে বিসিএস এর সব গুলো প্রশ্ন আপনাকে পড়তে হবে না।

নিচের সাবজেক্ট  গুলো ভাল করে ব্যাখ্যাসহ পড়েনিন।

ক) বাংলা-২০

খ) ইংরেজি-২০

গ) সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি)-২০

ঘ) সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল বিষয়।

আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলছি  বিগত বিসিএস থেকে যে প্রশ্ন আপনি কমন পাবেন দেখবেন চাকরি পাওয়ার মত নাম্বার পেয়েগেছেন এবং প্রিলি অনায়েশে পাশ করেছেন আনশাআল্লাহ্।

নিজেকে আরো স্ট্রং ভাবে প্রস্তুত করতে নিচের অধ্যায় গুলো ২ দিন করে সময় দিয়ে পড়তে পারেন।

 বাংলা প্রথম পত্রঃ  

কবি-সাহিত্যিক সম্পর্কে,

কবি-সাহিত্যিকদের জন্ম-মৃত্যু সাল, 

তাঁদের জীবনকাহিনি, যেসব কাব্যগ্রন্থ, 

উপন্যাস, 

নাটক প্রভৃতি রচনা করেছেন,

 এগুলোর গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ও লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়।

না বুঝে মুখস্থ করা যাবে না।


ব্যাকরণ অংশ থেকে পরিভাষা,

 এককথায় প্রকাশ, 

বাগ্ধারা,

 সন্ধি,

 কারক ও বিভক্তি,

 শব্দ

যুক্তবর্ণ প্রভৃতি থেকে প্রতিবছর প্রশ্ন এসে থাকে।

 তাই এ টপিকগুলো গুরুত্বসহকারে পড়ে বাকি টপিকগুলোও পড়তে হবে।

আর বিগত বিসিএস প্রশ্ন গুলো যদি ব্যাখ্যাসহ পড়তে পারেন তবে িএসব কিছু লাগবে না।


প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল বিষয় :

নার্সিং পেশায় প্রায়োগিক ক্ষেত্রে কোনবিষয়গুলো বেশি কাজে লাগে সেসব বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে; যেমনঅ্যানাটমি,

ফিজিওলজি,

 কমিউনিটি অব নার্সিং,

 অ্যাডাল্ট নার্সিং,

 ফান্ডামেন্টাল নার্সিং,

 সাইকোলজি, 

মেন্টাল হেলথ, অর্থোপেডিক,

মিডওয়াইফারি, 

ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস,

 নিউট্রিশন অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সাপোর্ট,

 পেডিয়াট্রিক অ্যান্ড নিউ বর্ন নার্সিং,

 ইন্টার্নশিপ অথবা পেশাগত ক্লিনিক্যাল ডিউটির বাস্তব জ্ঞান ধারণা রাখতে হবে।


ইংরেজি : 

Sentence.

 Narration, 

Voice Change, 

ppropriate Word, 

Appropriate Preposition, 

Idioms and Phrases  এ ছাড়া গ্রামারের অন্যান্য বিষয়ও দেখতে হবে।

 এ বিষয়ে প্রস্তুতির জন্য পিসি দাসের লেখা Applied English Grammar and Compositions বইটা বেশ কাজে দেবে। ইংরেজির চর্চা প্রতিদিনই রাখতে হবে। কেননা প্রফেশনাল বিষয়ে অনেকেই ভালো করলেও ইংরেজিতে তেমন নম্বর তুলতে পারেন না। তাই ইংরেজি বিষয়টা প্রার্থীদের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।


সাধারন জ্ঞানঃ

সাধারন জ্ঞান নিয়ে বললে শেষ হবে না কিন্ত সাম্প্রতিক পড়ে সময় নষ্ট না করে অন্য দিগে পড়া সবচেয়ে ভাল কারণ সাম্প্রতিক আসে মাত্র একটা থেকে দুটা।

আর বিগত সালের বিসিএস প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ পড়লে আর কিছুর দরকার নেই।

এখন আপনেরা প্রশ্ন করতে পারেন সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের জন্য কোন বই গুলো ভালো হবে।

প্রথম বিসিএস ডাইজেস্ট পড়েন এখানে সকল প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ পাবেন এছাড়া পিএসসির প্রশ্ন র্ব্যাংক ও পাবেন।

আর বিগত সালের নার্স  নিয়োগ পরীক্ষার যদি প্রশ্ন দরকার হয় গুগলে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।

আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

MLSS / এমএলএসএস / নিরাপত্তা পহরী পদের কাজ কি? What is the work of MLSS post? পদান্নতি ও বিস্তারিত

 MLSS / এমএলএসএস / নিরাপত্তা পহরী পদের কাজ কি? What is the work of MLSS post? পদান্নতি ও বিস্তারিত।

বর্তমান সময়ে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরে নতুন একটা পদ তৈরি করা হয়েছে, এমএলএসএস এটার সম্পর্কে আপনেরা জানতে চেয়ে কমেন্ট করেছেন আজ আমরা এটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করবো।


MLSS / এমএলএসএস এই শব্দটার প্রথম ব্যবহার করেন ব্রিটিশরা।

বর্তমান সময়ে এই পদটা আর নেই তবে সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশে  বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরে এই পদে নিয়োগ দিচ্ছে।

এই পদটিসহ আরো ৩৪ টা পদের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে, MLSS / এমএলএসএস / নিরাপত্তা পহরী পদ নিয়ে কথা বলছ।


MLSS এর পূর্ণ রুপ কি?

Member of lower subordinate staff, ব্রিটিশরা এই পদকে সুইপার হিসেবে ব্যবহার করত, 

সময়ের ব্যবদানে এটা নিরাপত্তা প্রহরী বা অফিস সহায়ক পদ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

যেহেতু MLSS এটা ধারা বিভিন্ন পদ বুঝায় তাই অবলিগ ব্যাবহার করে নিরাপত্তা প্রহরী বা অফিস সহায়ক পদ উল্লেখ করা থাকে।

নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে যখন ব্যবহার করা হয় বা এই পদে যখন নিয়োগ দেয়া হয়, নাম উল্লেখ করে তখন তার কাজ হবে পাহারাদারী করা।

নিরাপত্তা প্রহরীর অফিস টাইমঃ

মন্ত্রণালয় ভেদে ২ টা শীফট থাকতে পারে, নৈশ পহরী বা দিনের প্রহরী।

সকাল বা রাতে আপনার ডিউটি হতে পারে ( আট ঘন্টা )


 MLSS / এমএলএসএস / নিরাপত্তা পহরী পদের কাজ কি?

এই পদের সাধারন কাজ হলো প্রতিষ্ঠানের সম্পদ পাহারা দেয়া বা নজরদারী  করে রাখা,

কে কখন কি নিলেন, কে প্রবেশ করলেন, কোন অফিসে কি আছে সব কিছুর নিরাপত্তার দায়ীত্ব তার কাছে থাকে।


 MLSS / এমএলএসএস / নিরাপত্তা পহরী পদের বেতন কত টাকা?

একজন নিরাপত্তা প্রহরী প্রথম ৮৫০০ টাকা মূল বতেন বেতন পাবেন, সাথে ভাতা রয়েছে, পরে একটা নির্দিষ্ট % হারে প্রতিবছর তার বেতন বাড়বে সর্বচ্চ ২১০০০ টকা পর্যন্ত।


MLSS / এমএলএসএস / নিরাপত্তা পহরী পদের পদান্নতি হয়?

এটা নিয়ে সঠিক তথ্য যদি বলি পদান্নতি হয় নাই বল্লেই চলে।


আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুন আমরা উত্তর করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।


আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

This sit only for job candidate. we will try to solve any problem for job relevent issu and previous job exam quetion.



বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

টিকেট কালেক্টর পদের কাজ কি? বেতন, সুযোগ ইত্যাদি, বাংলাদেশ রেলওয়ে ১৩৩ পদের সার্কুলার

বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৩৩ জন নিয়োগ দেবে কালেক্টর পদে এর ধারা বাহিকতায় আমরা আজকে এই

পদ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

টিকেট কালেক্টর পদের কাজ কি?

এই পদের কাজ সাধারন দু”টি ভাগে ভাগ করে,

ক) অভ্যন্তরীন টিকেট কালেক্টর।

খ) বাহ্যিক টিকেট কালেক্টর ।


Br ticket collector job circular 2023

what is the bangladesh railway ticket collector woks

সধারনত, যারা ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের কাছ থেকে ক্রয়কৃত টিকে চেক কেরন তাঁদেরকেই মূলত টিকেট কালেক্টর, এবং এঁদের অভ্যন্তরিন টিকেট কালেক্টর হিসেবে ডিপার্টমেন্ট চিহ্নিত করে।

যে েসকল টিকেট কালেক্টর ট্রেনের বাইরে থেকে টিকটে চেক করে তাঁদের বাহ্যিক টিকেট কালেক্টর বা টিকেট চেকার বলে।


উদাহরণঃ কমলা পুর রেল স্টেশনে যাত্রীরা যখন ট্রেন থেকে নামেন তখন গেটে টিকেট কালেক্টরগণ চেক েকরে থাকেন।

টিকেট কালেক্টর চাইলে আপনার অবৈধ ভাবে ট্রেন ভ্রমণের কারণে জরিমানাও করতে পারে।


টিকেট কালেক্টর পদে যারা কাজ করে তারা খুব কম সময়ে টাকার মানুষ হয় এটা একটা গোপন কথা।

টিকেট কালেক্টর পদের বেতন প্রথম কম হলেও ব্যাতক্তবান টিকেট কালেক্টররা পুষিয়ে নেয়।


যোগ্যতাঃ

বাংলাদেশ রেলওয়ের এই পদে চাকরি পেতে হলে ছেলে-মেয়ে সাবার উচ্চতা ৫ ফিট ৫ ইঞ্চি লাগবে কম হলে হবে না।


কালেক্টর পেদের বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান এখানে সমাধান দেয়ার জন্য চেষ্টা করো ।

সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।


গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দেখুন

রেলওয়ে রেলভবন

নং-৫৪.০১.২৬০০,০০৮.১১,০১৬,২৩-০৫ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মহাপরিচালকের কার্যালয় পরিবহণ ও বাণিজ্যিক বিভাগ বাংলাদেশ রেলওয়ে রেলভবন, ঢাকা। (w...

বেশি সার্চ করা পোস্ট গুলো